Here we provide you the best collection of bangla jokes.
Everyone in this world love the people who give smile on their face. And these Bangla jokes can do this work very well.
These. Jokes definitely make you laugh. You can make people laugh and happy by share these jokes at Facebook, Instagram and Whatsapp. We provide you your favourite category of best bangla jokes.so enjoy!
Best  Bangla Jokes 2019

 Bangla Jokes

পাঁচু বৌদির বর বৌদিকে এসএমএস করেছে , ‘কী করছ সোনা?’
‘আই অ্যাম ডায়িং।’
লোকটি আনন্দে নেচে উঠে আবার লিখল, ‘সুইট হার্ট, আমি কী করে বাঁচব তোমাকে ছাড়া?’
পাঁচু বৌদি ধমক দিয়ে’দূর বোকা, আমি আমার চুল ডাই করছিলাম!’
গঙ্গায় স্নান করতে গিয়েছিল সৌরভ। হঠাত ঘুর্ণিতে পড়ে এই ডোবে কী সেই ডোবে অবস্থা।
তার ডাকাডাকিতে কাজও হল। গঙ্গাপাড়ে প্রকট হলেন গণেশ। কিন্তু সৌরভকে অবাক করে দিয়ে গণেশ পাড়ে দাঁড়িয়েই ধেই ধেই করে ভুঁড়ি দুলিয়ে নাচতে থাকলেন। সে কি নাচ, বলিউডের বড় বড় নাচিয়ে তারকারাও লজ্জা পেয়ে যাবে।
এদিকে সৌরভের তখন খুবই খারাপ অবস্থা। কোনওক্রমে মাথাটুকু জলের উপর ধরে রাখতে পেরেছে। ওই অবস্থাতেই সে কোনওক্রমে বলল, ‘আমায় রক্ষা না করে আপনি নাচছেন ভগবান?’
মিচকি হেসে গণপতি বললেন, ‘কেন রে সেদিন যখন আমায় ভাসান দিতে এসেছিলি, তুইও তো খুব নাচছিলি।’
স্ত্রী– হ্যালো …আমার কথা শুনতে পাচ্ছ …শোনো, আমি কিন্তু ড্রাইভারকে চাকুরী থেকে তাড়িয়ে দেব
স্বামী– কেন কি হয়েছে ?
স্ত্রী– এই নিয়ে আজ তিনবার হলো আমি ওর জন্য মরতে মরতে বেঁচে গেছি
স্বামী– ওকে আর একবার সুযোগ দাও না প্লিজ
গৃহপরিচারিকার কাছে পল্টু আর সুমিকে রেখে বেড়াতে গেছেন ওদের বাবা-মা। গৃহপরিচারিকাকে বাবার চেয়ারে বসতে দেখে চেঁচিয়ে উঠল সুমি, ‘তুমি আমার বাবার চেয়ারে বসলে কেন?’
গৃহপরিচারিকা: বাবা তো এখন বাড়িতে নেই। তা ছাড়া এখানে আমিই সবচেয়ে বড়, সুতরাং আমিই তোমাদের বস।
পল্টু: তাহলে তুমি মায়ের চেয়ারে বসো।
কোনও এক ঘটনা নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে চূড়ান্ত ঝগড়া হয়েছে। কথা বন্ধ।
অথচ পরের দিন সকালে অফিসের কাজে ভোরে বেরোতে হবে স্বামীর। এদিকে তিনি ভোরে উঠতে পারেন না।
এই অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে কথাও বলতে পারছেন না। ভেবে ভেবে একটি উপায় বের করলেন স্বামী।
স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়ার পরে কাগজে লিখলেন, সকালে ডেকে দিও। সেই কাগজ স্ত্রীর বালিশের পাশে রেখে শুয়ে পড়লেন।
সকালে যখন ঘুম ভাঙল তখন অনেক বেলা হয়ে গিয়েছে। স্ত্রীর উপরে চেঁচাতে যাবেন তখনই নজর পড়ল নিজের বালিশের পাশে।
সেখানে একটি চিরকুট রাখা। তাতে লেখা, সকাল হয়ে গেছে। উঠে পড়ো। নাহলে অফিসের দেরি হয়ে যাবে।
রিয়ার বিয়ে হয়েছে ছয় মাসও হয়নি। এরমধ্যে একদিন বাপের বাড়ি এসে দেখে বাড়ির লাগোয়া চেম্বারে বসে ওর দাদা রুগী দেখছে। দাদা বড় ডাক্তার। দেখল এক মহিলা রুগীকে নিয়ে দাদা বেশ সমস্যায় পড়েছে।
মহিলার প্রেসার আপ ডাউন করে, মানে এই লো প্রেসার তো এই হাই প্রেসার। আগে যে ওষুধ দেওয়া হয়েছিল তাতে তাঁর আবার পা ফুলে যাচ্ছে। দাদা বলছে, ‘আপনাকে কি ওষুধ দেওয়া যায় বলুন তো?’
এই অবধি শুনে রিয়া আর থাকতে পারল না। হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ল দাদার চেম্বারে। বিস্মিত দাদাকে কিছু বলতে না দিয়েই মহিলাকে উদ্দেশ্য করে বলল, ‘বিয়ে করেছেন তো আপনি?’
মহিলাও খুব অবাক। আমতা আমতা করে বললেন, ‘হ্য়াঁ, মানে…’
রিয়া উচ্ছ্বসিত, ‘অর্ধেক কাজ তো সেরেই ফেলেছেন। ওষুধপত্র লাগবে না। ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করুন। প্রেসার হাই হলে,
বাপের বাড়িতে ২০ মিনিট
কথা বলুন। আর প্রেসার লো হলে, স্বামীর
সঙ্গে ৫ মিনিট কথা বলুন।
হাতে নাতে ফল পাবেন।
কোন সাইড এফেক্টও নেই।’
স্ত্রী: ডাক্তার সাহেব, আমার স্বামী রাতে ঘুমের মধ্যে কথা বলে! কি চিকিত্সা এটার?
.
.
.
.
.
.
.
ডাক্তার: সে যখন জেগে থাকে তখন তাকে কথা বলার সুযোগ দিন ।
১৯৯০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে সাইকেল চাইত।
২০০০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে মোটরসাইকেল চাইত।
.
.
.
২০৩০ সাল।
ঘটক আর মেয়ের বাবার মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছে।
‘ছেলেপক্ষের একটা আবদার আছে…’
মেয়ের বাবা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালেন।
‘ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে। ছেলের অনেকদিনের শখ।’
‘১০ কেজি?’ মেয়ের বাবা আকাশ থেকে পড়লেন।
‘একটু কমানো যায় না? দরকার হলে আমাদের একটা টয়োটা করলা দিয়ে দিলাম।’ মেয়ের বাবা মিন মিন করে বলল।
‘নাহ ভাই। বললাম না ছেলের অনেক দিনের শখ।’
মেয়ের বাবা নিমরাজী হলেন। কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।
বিয়ের দিন।
কাজী বিয়ে পড়াতে শুরু করতেই ছেলের বাবা উঠে দাঁড়ালেন।
‘দাঁড়ান কাজী সাহেব। আগে পেঁয়াজ বুঝে নিই। পরে বিয়ে।’
সবাই থমকে গেল। একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে সবাই।
মেয়ের বাবা ঘর হতে একটা বাজারের ব্যাগ নিয়ে আসলেন।
‘ভাইসাহেব, এইখানে ৮ কেজি পেঁয়াজ আছে। বাকীটা আগামী সপ্তাহেই দিয়ে আসব।’
ছেলের বাবা রাগী ভঙ্গিতে তাকালেন। [ব্যাকগ্রাউন্ডে তখন ঝড়ের মিউজিক]
‘নাহ। এই বিয়ে হবে না। আরো দুই কেজি পেঁয়াজ ছাড়া এই বিয়ে সম্ভব না।’ বলেই ছেলের বাবা মেয়েদের সাততলা বাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হলেন। ‘চলে আয় কুদ্দুস। এই বিয়ে হবে না।’
অন্দরমহলে কান্নার আওয়াজ।
মেয়ে এসে দাঁড়াল ঘরে। চোখে জল।
‘চৌধুরী সাহেব, পেঁয়াজের লোভে মানুষকে আর মানুষ মনে হয় না? মনে রাখবেন পেঁয়াজ থাকলেই বড়লোক হওয়া যায় না। বড়লোক হতে হলে দরকার সুন্দর একটা ফেইসবুক একাউন্ট। যা আপনাদের নেই। চলে যান। আমি এখুনি স্ট্যাটাস দিচ্ছি।’
কুদ্দুস উঠে দাঁড়াল। তার চোখ খুলে গেছে। এই মেয়ে আবার তার ফেসবুক ফ্রেন্ড। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। ‘না বাবা। এই বিয়ে হবেই। পেঁয়াজ তোমাকে অন্ধ করে দিয়েছে বাবা।’
অবশেষে বিয়ের সানাই। আকাশে তারাবাত্তি।
বান্ধবীকে রাতের বেলা বাড়ি পৌঁছে দিতে এসেছে বাবু। দরজার পাশে দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বললো সে, একটা চুমো খেতে দাও আমাকে।’ ‘কী? তুমি পাগল হলে? এখানে দাঁড়িয়ে না না না!’ ‘আরে কেউ দেখবে না। এসো, একটা চুমো।’ ‘না না, খুব ঝামেলা হবে কেউ দেখে ফেললে।’ ‘আরে জলদি করে খাবো, কে দেখবে?’ ‘না না, কক্ষণো এভাবে আমি চুমো খেতে পারবো না।’ ‘আরে এসো তো, আমি জানি তুমিও চাইছো — খামোকা এমন করে না লক্ষ্মী!’ এমন সময় দরজা খুলে গেলো, বান্ধবীর ছোট বোন ঘুম ঘুম চোখে দাঁড়িয়ে। চোখ ডলতে ডলতে সে বললো, ‘আপু, বাবা বলেছে, হয়তুমি চুমো খাও,নয়তো আমি চুমো খাই, নয়তো বাবা নিজেই নিচে নেমে এসে লোকটাকে চুমো খাবে —
কিন্তু তোমার বন্ধু যাতে আল্লার ওয়াস্তে ইন্টারকম থেকে হাতটা সরায়।’
এক পিচ্চি বাসে যাওয়ার সময় বাসের দরজার সামনে দাড়িয়ে ছিল সেটা দেখে কনডাক্টর বলছে… “কিরে তুই সব সময় দরজার সামনে দাঁড়াইয়া থাকিস!! তোর বাপে কি চৌকিদার আছিল??”
পিচ্চিঃ আরে আর তুই তো সব সময় টাকা চাইতে থাকিস তোর বাপে কি ফকির আছিল??